খুঁজুন
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

এনটিআরসিএ সনদ জালিয়াতি মামলায় মাদ্রাসা সুপার গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনটিআরসিএ সনদ জালিয়াতি মামলায় মাদ্রাসা সুপার গ্রেফতার

ছবিতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার



নিজস্ব প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম :

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. সাইদুর রহমানকে এনটিআরসিএ (NTRCA) সনদ জালিয়াতির একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এনটিআরসিএ সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের ভাতিজা মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর সিআর-১৫২৬। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নিয়োগের বিনিময়ে সুপার মো. সাইদুর রহমান তার ভাতিজার কাছ থেকে ভুরুঙ্গামারী পাবলিক ক্লাবের পূর্ব পাশে অবস্থিত প্রায় ৩ শতক জমি, বাড়ি ও দোকান লিখে নেন, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার সমন জারি করলেও অভিযুক্ত আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে অন্য একটি মামলায় ১৪ দিন কারাভোগের ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

একই সঙ্গে তার ভাতিজা মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেতনও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড স্থগিত করেছিল। পরে প্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটি না থাকায় তাকে পুনর্বহাল করা সম্ভব হয়নি বলে জানা যায়।
বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বেতন সংক্রান্ত বিষয়ে গেলে তিনি নিজেকে পুনর্বহাল দাবি করে পূর্ণ বেতন প্রদানের আবেদন করেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনগত বৈধতা না থাকায় পূর্ণ বেতন দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিধি অনুযায়ী তার আংশিক বেতন ও অন্যান্য শিক্ষকদের পূর্ণ বেতন উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, এ অবস্থায় তিনি শিক্ষকদের বেতন বিলেও স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বর ত্যাগ করার সময় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষক হয়রানি, নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার মো. সাইদুর রহমানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এছাড়া মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন হওয়ায় অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষা রয়েছে।

প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট থানার গ্রেপ্তারের তথ্য, আদালতের নথি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়া ভালো, যাতে সংবাদটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যপূর্ণ ও নির্ভুল থাকে।

ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ৩:০৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

আগুনে ভস্মীভূত দোকান

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি: 

সাঁথিয়ার বড়গ্রামে আলমগীর হোসেন বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে গত ২৩ জুন রাত অনুমান ১ টার দিকে কে বা কাহারা আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে ঘরে রাখা পেঁয়াজ এবং ঘরটি আগুনে পুড়ে ভূষ্মীভূত হয়। এতে করে আলমগীরের প্রায় ৮ লক্ষ  টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি জানান। 

সরেজমিন এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়ার আতোসোভা বড়গ্রাম বাজারে দোকানে গত  ৮ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে  আগুন লাগার  সংবাদ পাইয়া আলমগীরসহ কিছু লোকজন  ঘটনাস্থলে যায় এবং দোকান ঘরে আগুন জ্বলতে দেখিয়া ডাকচিৎকার করিলে স্থানীয় লোকজনসহ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসিয়া দোকানের আগুন নিভায়। ইতিমধ্যে ইমরান ষ্টোর নামক  দোকানে থাকা সার কীটনাশক, মুদিখানা মালামাল ও ডেকোরেরের মালামাল পুড়িয়া অনুমান ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে যানা যায়। 

আতোভসোভা গ্রামের  ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম উদ্দিন আলমগীর  হোসেনের  ট্রাক ড্রাইভার হিসাবে গাড়ী চালাইয়া আসিতেছিল। ট্রাক গাড়ী চালানো কালীন সময়ে সিয়াম উদ্দিন ট্রাক গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গাড়ীর তেল চুরি করিয়া অন্যত্রে বিক্রয় করে। উক্ত বিষয়টি জানাজানির পর গত ইং ০৮ জুলাই আতোশোভা-বড়গ্রাম বাজারে ইমরান ষ্টোর নামক দোকান ঘরে শালিশ বৈঠক হয়। শালিশ বৈঠকে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সিয়ামকে ৬৭ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন। ১৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি. এর মধ্যে  সিয়াম উদ্দিন টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন । সিয়ামকে ওই দিন থেকেই গাড়ির ড্রাইভার থেকে বাদ দেয়া হয়। সিয়াম উদ্দিনকে  ট্রাক গাড়ীর ড্রাইভার হইতে বাদ দেওয়ার কারনে সে প্রতিশোধ মুলকভাবে সে একেরপর এক আগুন দিতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান। 

বড়গ্রামের আক্কাজ আলী শেখ জানান,সিয়ামকে ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার পর আলমগীরের দোকান পুড়ে গেল।  বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে আগুন দেওয়া হলো এর সাথে সিয়াম ও তার ভাইয়েরা জড়িত আছে বলে আমাদের ধারণা। 

সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, বার বার আগুনলাগা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। এ ব্যাপারে শনিবার থানায় একটি মামলা হয়েছে।  

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

ঢাকা, ২৫ জুলাই: জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্বে তারা নতুন রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় যুবশক্তির কনভেনশনে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা একযোগে এনসিপিতে যোগ দেন।

জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ওমর ফারুক যুবরাজ। তাঁর নেতৃত্বে আন্দোলনে সক্রিয় থাকা একাধিক শিক্ষানেতা এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত।

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্তার হোসেন, নুসরাত তাবাসসুম, হান্নান মাসুদ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভির, মাহিন সরকার, নাসির পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে।

যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ওমর ফারুক যুবরাজ, রবিউল আলম আকামিন, বাদশা, তাজরিয়ান মাহমুদ ও মাহমুদ হাসান তুহিন। বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তারা জাতীয় নাগরিক পার্টির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই যোগদান দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে যথাযথ নজরদারির অভাবে সুন্দরবনে দস্যুতা বেড়েছে। তবে বর্তমান সরকার সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। দস্যুদের আর পুনর্বাসন করা হবে না—তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, অন্যথায় কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সুন্দরবন ও উপকূলীয় জীবিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক দিনব্যাপী সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল আট হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য সরকার ৬৬১ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির পেছনে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু মানুষের অসচেতনতাও দায়ী। বিশেষ করে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংলাপে সুন্দরবন সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি ও করণীয় নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনরা মতবিনিময় করেন।

পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’, ব্রাইটার্স, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, সচেতন ফাউন্ডেশন এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তি ও এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জুলফিকার আলী, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, উপকূলীয় সাংবাদিকতা গবেষক রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’র সদস্য সচিব শরীফ জামিলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সংলাপটি সঞ্চালনা করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম